মুন্সীগঞ্জ- ৩ আসনে নৌকা ও কাঁচির হাড্ডাহাড্ডির লড়াইয় হবে

Estimated read time 1 min read


জানুয়ারী,০৪,২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া) আসনে এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুই প্রার্থী । এর মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন বর্তমান আসনটির সংসদ সদস্য এডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস । অন্যজন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী ফয়সাল বিপ্লব কাঁচি প্রতীক নিয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। এ ছাড়াও ফয়সাল বিপ্লব জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিনের জোষ্ট্য সন্তান হওয়ায় অনুকূল পরিবেশও কাজে লাগাচ্ছেন। তবে ভোটযুদ্ধে ফয়সাল বিপ্লব এবার প্রথমবার নামলেও মৃনাল কান্তি দাস এবার নিয়ে ৩য় বারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হাজী ফয়সাল বিপ্লব পর্ব থেকে দলীয় শক্তিশালী সংগঠক হিসেবে তৃনমুল তরুন ভোটার নিয়ে তার রয়েছে জনপ্রিয়তা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার সদর ও গজারিয়া উপজেলায় দুই প্রার্থীদের পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। এর মধ্যে কাঁচি প্রতীকের বেশি সমর্থক দেখা গেছে। এদিকে, মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের ভোটার ও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আক্তার হোসেন নির্বাচন নিয়ে বলেন, নির্বাচনে ভোটের দিন ঘনিয়ে আশায় জমে উঠছে ইমেজ । পরিবেশ এখন পর্যন্ত অনেকটাই শান্তিপূর্ণ। প্রার্থীরা ভোটারের বাড়ি বাড়ি ছুটছেন। তবে আমাদের এ এলাকায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকা ও কাঁচি প্রতীকের মধ্যেই। 
এদিকে, ফয়সাল বিপ্লবের সাথে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জ সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি/সম্পাদকসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও দুটি পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি/সম্পাদকসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। গজারিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি/সম্পাদকসহ বেশ কয়েকটি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা কাজ করছেন কাঁচি প্রতীকের পক্ষে। সব মিলিয়ে কাঁচি এগিয়ে রয়েছে।

এ পর্যন্ত সহিংসতার অভিযোগ দু প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। প্রতিদিনই অভিযোগ করে বাগদ্বন্ধে জড়াচ্ছেন। দুইজনই নিজ নিজ পোস্টার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা সহ আচরণবিধি ভোটের দিন সহিংসতার শঙ্কাও করছেন অনেকে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, ভোটারদের মধ্যে আমার জনপ্রিয়তা দেখে নৌকার লোকজন আমার পোস্টার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছে। একই সঙ্গে প্রচারণায় আমার কর্মীদের অভিনব কায়দায় নানা ভাবে বাধা প্রদান করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন মনিটরিং কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। নির্বাচনের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকলে, ভোটারদের রায় আমার দিকেই থাকবে আশা করছি। 

জেলা রিটার্নি কর্মকর্তা মো. আবু জাফর রিপন জানান, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন যে প্রার্থীই বিশৃঙ্খলা করুক না কেন কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। থাকবে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালতও।
www.bbcsangbad24.com

আরও দেখুন আমাদের সাথে......

More From Author